শহরের সড়ক কেবল যানবাহনের জন্য নয়, মানুষের চলাচলের পথও। দু’পাশে ঠিকমতো বাছাই করা গাছ লাগালে সড়ক হয়ে ওঠে ছায়াময়, শীতল এবং চোখজুড়ানো।
কেন জরুরি
- বড় ছায়াদার গাছ রাস্তার পিচ ও ফুটপাথকে সরাসরি রোদ থেকে আড়াল করে, ফলে হাঁটা সহজ হয়।
- গাছের সারি গতি কমিয়ে দেয় এবং সড়কের পাশের বাসিন্দাদের ধুলা ও শব্দ থেকে খানিক সুরক্ষা দেয়।
- ফুল-ফলের দেশি গাছ পাখি ও প্রজাপতিকে টেনে আনে।
কীভাবে করা যায়
- সড়কের প্রস্থ, ভূগর্ভস্থ লাইন ও ওপরের বিদ্যুতের তার দেখে গাছ লাগানোর জায়গা ঠিক করা — বড় গাছ তারের নিচে নয়।
- রাস্তার ধরন অনুযায়ী প্রজাতি বাছাই: যেমন রেইনট্রি, কৃষ্ণচূড়া, নিম, জারুল বা বকুল — যা স্থানীয় আবহাওয়ায় টেকে।
- চারা লাগানোর পর অন্তত দুই-তিন বছর পানি দেওয়া ও খুঁটি-জাল দিয়ে সুরক্ষার ব্যবস্থা রাখা।
- গাছের গোড়ায় পাকা না করে মাটি খোলা রাখা, যাতে পানি ও বাতাস শিকড়ে পৌঁছায়।
- কোন গাছ কে দেখভাল করছেন তার একটি তালিকা রাখা — ‘এক গাছ, এক অভিভাবক’।
কিশোরগঞ্জের জন্য ভাবনা
কিশোরগঞ্জ শহরের প্রধান সড়কগুলোর যেখানে ফুটপাথ ও ডিভাইডারে জায়গা আছে সেখান থেকে শুরু করা যায়। স্কুলগামী পথগুলোকে অগ্রাধিকার দিলে শিশুরা সবচেয়ে উপকৃত হবে।
আপনি কী করতে পারেন
আপনার পাড়ার যে রাস্তাটি সবচেয়ে বেশি রোদে পোড়ে, তার নাম ও ওয়ার্ড পোর্টালে লিখে পাঠান।
পোর্টালে আপনার কথা জানানছবি: গাছে ঢাকা সড়ক, কিশোরগঞ্জ সদর — আলোকচিত্রী: Shajadaarefin2913, লাইসেন্স: CC BY-SA 4.0, উৎস: উইকিমিডিয়া কমন্স। সব ছবির সূত্র